international
ফিলিস্তিনি ফেমিনিস্ট কালেকটিভের নতুন এক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, পরিবেশের অবক্ষয় এবং মা ও শিশুদের হত্যার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা সফল করতে হলে নীতিগত স্থিরতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত এমন পরিবেশকেই বেশি গুরুত্ব দেন, যেখানে দীর্ঘমেয়াদে নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
ইসরায়েলের সরকার আর প্রতিরক্ষা কাঠামোর বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলোকে অভূতপূর্ব এবং কিছু ক্ষেত্রে কঠোর মনে হতে পারে, বিশেষ করে এগুলো যখন আসছে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে। কিন্তু অনেক বছর চুপ থাকার পর এই অভিযোগগুলো সামনে আনা ছাড়া আমার সামনে আর বিকল্প নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন সমঝোতা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি শক্তিশালী করার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা কমাতে পারে, তবে এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন হবে। উপসাগরীয় দেশগুলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ জ্বালানি পরিবহন আশা করছে, ইসরায়েল চুক্তিটিকে নিরাপত্তা ও পারমাণবিক ইস্যুতে অপর্যাপ্ত বলে মনে করছে, লেবানন ও ইরাকে অনিশ্চয়তা ও ইরানি প্রভাব বহাল রয়েছে, সিরিয়া সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সুযোগ দেখতে পাচ্ছে, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক সুবিধা অর্জন করেছে, রাশিয়া তেলের দাম কমে যাওয়ায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, আর চীন তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে, চুক্তিটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি কমালেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, প্রক্সি গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে মৌলিক বিরোধগুলো এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা, তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সীমিত করা এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমিয়ে আনা। কিন্তু ৪৭ বছর পরও ফলাফল ওয়াশিংটনের প্রত্যাশার অনেক নিচে রয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসের পরে এই প্রথম বার মুখোমুখি হলেন মোদী ও ট্রাম্প। মধ্যবর্তী পর্যায়ে অপারেশন সিঁদুর, বাণিজ্যচুক্তি-সহ নানা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক মতবিরোধ হয়েছে।
ইরান যে ইউরেনিয়াম ৬০% সমৃদ্ধ করে বসে আছে, ৯০% করছে না, অথবা বোমা বানাচ্ছে না, তা মূলত ঐ ফতোয়ার কারণে।
দুই বছরের বেশি আগে জাতিগত ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট দেশজুড়ে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছিল। জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তারা একের পর এক বিজয় পেয়েছিল। একসময় আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকা ওই বিদ্রোহী জোট এখন মিয়ানমারের অধিকাংশ স্থানে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
