opinion
জুলাই অভ্যুত্থান বা বিপ্লব অসমাপ্ত রয়ে গেছে। মানুষের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র সংস্কার এবং জবাবদিহিমূলক জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জুলাই অভ্যুত্থান চলমান থাকবে। প্রয়োজনে মানুষ আবারও রাজপথে নামবে জুলাই শহীদদের রক্তের ঋণ আদায়ে।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশ যেমন হওয়ার কথা ছিল, গত ছয় মাসে তার বিন্দুমাত্র পরিবেশও শাসক শ্রেণি তৈরি করতে পারেনি। বরং নানা কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যে মনে হচ্ছে, জনগণের প্রত্যাশা এবং গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—যে পরিবর্তনের প্রত্যাশায় মানুষ রাজপথে নেমেছিল, যে গণরায়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল, সেই আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন কোথায়?
শেখ হাসিনার আওয়ামী রেজিমের ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনে শুধু লেখার অপরাধেই মূল্য শোধ করতে হয়েছে
শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটিতে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব—এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।
গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে কিংবা ‘আগেই ভালো ছিলাম’—এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। বরং বাস্তবতা হলো, গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে বলেই দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং জনগণ রাষ্ট্রের ওপর নিজেদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে
