Saturday, September 19, 2026 | আশ্বিন ৪, ১৪৩৩ | ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
Policy Paper
হোমদেশরাজনীতি ও পলিসিঅর্থকড়িদুনিয়াসম্পাদকের বাছাইআমাদের সম্পর্কেযোগাযোগ
Policy Paper

নীতি বিশ্লেষণ, রাজনৈতিক ধারাভাষ্য এবং বৈশ্বিক খবরের জন্য আপনার বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম।

জনপ্রিয় বিভাগ

  • দেশ
  • রাজনীতি ও পলিসি
  • অর্থকড়ি
  • দুনিয়া
  • সম্পাদকের বাছাই
  • খেলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • স্বাস্থ্য, পরিবেশ
  • শিক্ষা
  • ধর্ম ও দর্শন

যোগাযোগ

  • ৬ ইসরাত টাওয়ার, পুরানা পল্টন, ঢাকা
  • +8801316248159

নিউজলেটার

আপডেট পেতে চান? নিচে আপনার ইমেইল দিন — আমরা চালু হলেই খবর পাঠাব।

© 2026 Policy Paper। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Developed by DataMart BD Limited

গোপনীয়তা নীতিপরিষেবার শর্তাবলী
দুনিয়া

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির ১৪ দফা, A টু z

চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ 'সব ফ্রন্টে' সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দেবে।

বার্নড ডেবুসম্যান জুনিয়র, বিবিসি
১৮ জুন, ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির ১৪ দফা, A টু z

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তা কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ-এ অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

১৪ দফার এই চুক্তিকে মূলত সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ বলা হচ্ছে। এতে বলা হয়েছে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না।

এছাড়া দেশটির "পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের" জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে, যদিও এতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বাধ্যতামূলক নয়।

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার চার মাস পর এই চুক্তি হলো।

ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তিকে "কর্মসম্পাদন" বা পারফর্ম্যান্সভিত্তিক হিসেবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ, ইরান নিজ প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করলেই কেবল চুক্তির সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

যদিও চুক্তির মধ্যে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েরও সমাধান হয়নি, তবু এর যেসব মূল দিক সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়েছে, সেগুলো তুলে ধরা হলো।

প্রথম দফা: 'সব ফ্রন্টে' সংঘাতের অবসান

চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ 'সব ফ্রন্টে' সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলেন যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের সঙ্গে হওয়া এই চুক্তিকে ভেস্তে দিতে পারে।

অন্যদিকে, তেহরান বারবার আশা জানিয়েছে যে যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বুধবার বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের যেকোনো সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তা হবে "এই সমঝোতার লঙ্ঘন", আর এর প্রতিক্রিয়ায় "প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে"।

চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, 'এখন থেকে' কোনো পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করবে না বা হুমকি দেবে না এবং লেবাননের 'ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব' নিশ্চিত করবে।

নথি অনুযায়ী, চূড়ান্ত এই চুক্তি সংঘাতের স্থায়ী 'অবসান' ঘটাবে।

তবে এই দফার নিয়ে ইসরায়েল কী প্রতিক্রিয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দ্বিতীয় দফা: 'অভ্যন্তরীণ বিষয়ে' পারস্পরিক সম্মান

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক টেলিফোন ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে হুবহু পড়ে শোনানো চুক্তিটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান "একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে" এবং একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপে বিরত থাকবে।

এই ধারা ইরানের ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীগুলো নেতিবাচকভাবে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে, ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, "সহায়তা আসছে"।

তৃতীয় দফা: ৬০ দিনের সময়সীমা

চুক্তির তৃতীয় দফা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতায় পৌঁছানোর অঙ্গীকার করেছে। তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।

দুই দেশের নেতারা সমঝোতা স্মারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করার পর থেকেই ৬০ দিনের এই সময় গণনা শুরু হয়েছে।

হোয়াইট হাউস বিবিসিকে জানিয়েছে, বুধবার রাতে ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে জি৭ সম্মেলন পরবর্তী এক নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-সংক্রান্ত এই নথিতে স্বাক্ষর করেন।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানও এতে স্বাক্ষর করেছেন।

এর আগে ট্রাম্প এবং ইরানি কর্মকর্তারা এ সপ্তাহের শেষ দিকে জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে এখন সেটি হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

চতুর্থ দফা: যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার করবে

চতুর্থ দফায় বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত নৌ অবরোধ এবং 'যেকোনো বিঘ্ন বা প্রতিবন্ধকতা' অপসারণ শুরু করবে।

চুক্তি এবং ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে। এ সময়ে ইরানের বন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে, তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নৌ চলাচলের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র 'ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চল' থেকে নিজেদের সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বাস্তবে এর অর্থ হলো, ২৮শে ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর আগে মার্কিন বাহিনীর যে অবস্থান ছিল, দেশটি আবার সেই অবস্থায় ফিরে যাবে।

পঞ্চম দফা: হরমুজ প্রণালি

চুক্তির একটি অংশে বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ইরান 'সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা' চালিয়ে কোনো ধরনের ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করবে।

যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম তীব্রভাবে বেড়ে যায়। তাই প্রণালিটি পুনরায় চালু করা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল।

নথিতে বলা হয়েছে, কারিগরি ও সামরিক 'প্রতিবন্ধকতা' দূর করা এবং মাইন অপসারণ কার্যক্রম বিবেচনায় নিয়ে জাহাজ চলাচল 'অবিলম্বে' শুরু হবে।

এর আগে এক ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা বারবার স্পষ্ট করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে চলাচলের জন্য কোনো ধরনের ফি নেওয়া হবে না।

দীর্ঘমেয়াদে, ইরান ওমান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালি পরিচালনায় আরও বিস্তৃত একটি কাঠামোগত চুক্তির জন্য কাজ করবে বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মনে করে ইরান নিজেদের অধিকার দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।

তবে ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল বা শুল্ক ব্যবস্থা চালু থাকার মতো সিদ্ধান্ত উপসাগরীয় দেশগুলো কখনোই মেনে নেবে না।

ষষ্ঠ দফা: ইরানের পুনর্গঠনের জন্য অর্থায়ন

সমঝোতা স্মারকের ষষ্ঠ দফায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদাররা ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলারের একটি "চূড়ান্ত ও পারস্পরিকভাবে সম্মত পরিকল্পনা" প্রণয়ন করবে।

চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এই তহবিলের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স, ছাড়পত্র ও অনুমোদন দেবে।

তবে তার মানে এটা না যে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থায়ন করবে।

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইরানকে কিংবা তহবিলে "এক পয়সাও" দিতে হবে না।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, যদি ইরান "ভালো আচরণ" করে, তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন নিয়ে ইরানে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে পারে।

সপ্তম দফা: নিষেধাজ্ঞার অবসান

চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের আওতায় থাকা নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফাভাবে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

তবে এই প্রক্রিয়ার সময়সূচি এখনো স্পষ্ট নয়।

নথিতে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে এ বিষয়ে একটি সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তবে উভয় পক্ষই বিষয়টি 'অবিলম্বে' অগ্রাধিকার দিয়ে পরবর্তী আলোচনায় বিবেচনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের 'অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি' কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল তেহরানকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

অষ্টম দফা: পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার প্রতিশ্রুতি

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা অর্জন না করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি উভয় পক্ষ তেহরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে একমত হয়েছে।

এই পদার্থ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি এখনো স্পষ্ট নয়। নথিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী আলোচনায় একটি প্রক্রিয়া 'পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে' হবে। তবে ন্যূনতম হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ'র তত্ত্বাবধানে 'ডাউনব্লেন্ড', অর্থাৎ ইউরেনিয়ামের মান বা তীব্রতা হ্রাস করার ব্যবস্থা করা হবে।

জ্যেষ্ঠ এক মার্কিন কর্মকর্তা একে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য "ন্যূনতম মান" এবং "বড় সাফল্য" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, এই বছরের শুরুতে চালু করা 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-এর ৯৯ শতাংশ লক্ষ্যই ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখা।

নবম ও দশম দফা: 'স্থিতাবস্থা'

এই দুটি দফায় বলা হয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবস্থাপনা না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি 'স্থিতাবস্থা' বজায় রাখবে।

বাস্তবে এর অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না। একই সময়ে তারা তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য রপ্তানি এবং সংশ্লিষ্ট সেবাসমূহ- যেমন ব্যাংকিং লেনদেন ও পরিবহনের জন্য ওয়েভার বা ছাড়পত্র জারি করবে।

একাদশ দফা: জব্দকৃত অর্থ

এই দফাটি আলোচনায় একটি বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে তাদের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে, যা দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।

নথির একাদশ দফায় বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র 'জব্দ বা আটকানো সব অর্থ সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে', আর এর প্রক্রিয়া পরবর্তী আলোচনায় নির্ধারণ করা হবে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কিছু সম্পদ এমওইউ-পরবর্তী আলোচনার সময় মুক্ত করা হবে, যাতে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবস্থাপনা শুরুর মতো শর্তগুলো মানলে ইরানকে উৎসাহ দেওয়া যায়।

দ্বাদশ থেকে চতুর্দশ দফা: নজরদারি ও চূড়ান্ত আলোচনা

চুক্তির শেষ কয়েকটি দফায় চুক্তি বাস্তবায়নের কাঠামো ও প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এমন একটি 'ব্যবস্থা' গঠন করবে, যা এমওইউ বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ চুক্তির শর্ত মানা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করবে। তবে বাস্তবে এটি কীভাবে কাজ করবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এমওইউ স্বাক্ষরের পর এবং বাস্তবায়ন শুরু হলে উভয় দেশ চূড়ান্ত একটি চুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে।

সবশেষে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।

শেয়ার করুন:

বার্নড ডেবুসম্যান জুনিয়র, বিবিসি

Author

সম্পর্কিত খবর

মক্কায় ড্রোন: সৌদির দাবি; হুতিদের না

মক্কায় ড্রোন: সৌদির দাবি; হুতিদের না

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জিন্নাহর জীবনে সাত নারী

জিন্নাহর জীবনে সাত নারী

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মায়ুন দ্বীপ কেনো গুরুত্বপূর্ণ?

মায়ুন দ্বীপ কেনো গুরুত্বপূর্ণ?

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

লাখ টাকার জালিয়াতি, ’হু’ ছাড়তে হলো পুতুলকে

লাখ টাকার জালিয়াতি, ’হু’ ছাড়তে হলো পুতুলকে

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভিডিও

সব দেখুন
সরকার কেমন করছে?

সরকার কেমন করছে?

১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ভারত কেন তারেক রহমানকে দিল্লি নিতে মরিয়াি

ভারত কেন তারেক রহমানকে দিল্লি নিতে মরিয়াি

২৯ আগস্ট, ২০২৬
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহল

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহল

১৫ আগস্ট, ২০২৬

জনপ্রিয় খবর

মক্কায় ড্রোন ও ইসরায়েল প্রসঙ্গ

মক্কায় ড্রোন ও ইসরায়েল প্রসঙ্গ

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জুলাই বিপ্লবের আবাবিল পাখিরা

জুলাই বিপ্লবের আবাবিল পাখিরা

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মক্কায় ড্রোন: সৌদির দাবি; হুতিদের না

মক্কায় ড্রোন: সৌদির দাবি; হুতিদের না

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পুলক ভাগ‍্যবান!

পুলক ভাগ‍্যবান!

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্যাটাগরি

  • দেশ>
  • রাজনীতি ও পলিসি>
  • অর্থকড়ি>